প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী, ২০২৬

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এক স্নায়ুচাপপূর্ণ লেনদেন প্রত্যক্ষ করছেন বিনিয়োগকারীরা। সকাল থেকে সূচকের ব্যাপক ওঠানামা এবং শেয়ার কেনা-বেচার প্রবল চাপে বাজারে এক ধরনের মিশ্র প্রবণতা বিরাজ করছে। কখনো সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী করছে, আবার মুহূর্তেই বড় শেয়ারের দরপতনে লাল সংকেত দেখা দিচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯৪২ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই শরীয়াহ্ সূচক ২ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০০৪ ও ১৮৮২ পয়েন্টে রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
এর আগে আজ লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৬ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ৭ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচকের গতি নিম্নমুখী দেখা যায়।
অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৮৪৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।
বাজারের এই টানটান উত্তেজনার মাঝে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে দেখা গেছে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বড় বিনিয়োগ করার চেয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাকেই শ্রেয় মনে করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কিছু গুঞ্জনের প্রভাবে বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ড. আহসান কবির বলেন, "সূচকের এই মিশ্র অবস্থান আসলে বাজারের একটি স্বাভাবিক সংশোধনী। গত কয়েকদিন টানা বাড়ার পর বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে চাইছেন, যার ফলে বিক্রির চাপ বেড়েছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ যদি সন্তোষজনক থাকে, তবে ভয়ের কিছু নেই।"