প্রকাশিত:
গতকাল

প্রতি বছরের মতো এবারও একটি বিশেষ থিমকে সামনে রেখে উৎসবের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবারের থিম রাখা হয়েছে ‘সিনেমা অব দ্য জার্নি’ (যাত্রার চলচ্চিত্র)। এই থিমের আওতায় প্রদর্শিত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলোতে মানুষের জীবনবোধ ও ভ্রমণের গল্পগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘স্পটলাইট অন সিনেমা’ বিভাগ। গত আসরে জাপানি সিনেমা নিয়ে বিশেষ আয়োজন থাকলেও এবার দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে এই বিভাগ। এতে কোরিয়ান চলচ্চিত্রের নান্দনিকতা, আধুনিক নির্মাণশৈলী এবং সিনেমাটিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।
উৎসবের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আহমেদ আল মোল্লা বলেন, ‘আমাদের আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন চলচ্চিত্র নির্মাতারা। এ বছরও আমরা প্রতিভাবান নির্মাতাদের আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আনন্দিত। এখানে আলোচনা, ধারণা বিনিময় এবং নতুন কিছু শেখার একটি চমৎকার পরিবেশ থাকবে।’
ডেপুটি ডিরেক্টর তারিক আল খাওয়াজি মনে করেন, এই উৎসবটি আঞ্চলিক সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করতে এবং স্থানীয় প্রতিভাদের বিকাশে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।
সপ্তাহব্যাপী এই উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ছাড়াও থাকবে বহুমুখী আয়োজন:
নতুন ও অভিজ্ঞ লেখকদের জন্য বিশেষ কর্মশালা।
বাস্তবধর্মী প্রামাণ্যচিত্রের প্রদর্শন।
নতুন নির্মাতাদের কাজকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরার সুযোগ।
চলচ্চিত্রের কারিগরি ও ব্যবসায়িক দিক নিয়ে আলোচনা।
সৌদি ফিল্ম ফেস্টিভালের ১২তম আসরটি শুধু সিনেমা দেখার সুযোগই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের সৃজনশীল প্রতিভাদের বৈশ্বিক সিনেমার বাজারে যুক্ত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।