প্রকাশিত:
১২ জানুয়ারী, ২০২৬

মায়ের অনুপস্থিতি, সেই শূন্যতা থেকে জন্ম নেয়া অভিমান ও ভালোবাসার দ্বন্দ্ব অভিনেত্রী তটীনির অভিনয়ের মাধ্যমে গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। সেইসাথে মনিরা মিঠুর অনবদ্য অভিনয় চোখ ভিজিয়ে দিচ্ছে দর্শকদের। নাটকটি মাত্র দুদিনে ৬৫ লাখের বেশী দর্শক ইতোমধ্যে দেখে ফেলেছে।
পুরো নাটক জুড়ে তটিনী ও মনিরা মিঠুর পারস্পরিক দৃশ্যগুলোই এর আবেগের মূল শক্তি। মা–মেয়ের সম্পর্কের জটিলতা, না বলা কষ্ট এবং ভালোবাসার নীরব প্রকাশ এই দুই শিল্পীর অভিনয়ে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
সংবাদমাধ্যমকে মনিরা মিঠু বলেন, ‘সম্পর্কের গল্প’ রিলিজের পর যে পরিমাণ ভালোবাসা পাচ্ছি, এতে আমি রীতিমত ভয় পাচ্ছি। মনে হচ্ছে, আগামীতে এরচেয়ে ভালো অভিনয় করতে পারবো তো? সত্যিই দর্শকদের ফিডব্যাকে আমার ভেতরটা কেঁপে উঠছে। এই ভালোবাসা আমাকে হতবাক করছে, আলহামদুলিল্লাহ্। পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের প্রতি আমার আজীবন কৃতজ্ঞতা, সবসময় তিনি আমাকে এমন সব চরিত্র দিয়ে থাকেন।
‘সম্পর্কের গল্প’ দেখে ইউটিউবে দুদিনে প্রায় ১৮ হাজার দর্শক মন্তব্য করেছেন। তারা বলছেন, পারিবারিক আবেগ ও প্রিয়জনের সাথে সম্পর্কের মায়াজালের এই গল্প তাদের কাঁদাচ্ছে। অনেকেই লিখছেন, এই ধরনের নাটকের কারণে আবারও বাংলা নাটক হারানো গৌরব ফিরে পাচ্ছে।
কেউ কেউ বলছেন, যখন আমাদের চারপাশে অপসংস্কৃতির ঢেউ, তখন এই ‘সম্পর্কের গল্প’ আমাদের দেখিয়ে দেয় কনটেন্ট কেমন হওয়া উচিৎ।
অনেকে লিখছেন, বর্তমান সময়ে ছোট পর্দায় নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি হলেও পারিবারিক গল্প খুব একটা দেখা যায় না। এই জায়গায় মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ আলাদা করে চোখে পড়েন। একটি পরিবারের গল্প, যেখানে সম্পর্কের টানাপোড়েন, মায়া আর ভালোবাসা খুব স্বাভাবিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গল্পটি শেষ হওয়ার পরও রেশ অনেকক্ষণ থেকে যায়। সম্পর্কের গল্প টিমকে সেলুট এমন কনটেন্টের জন্য।
নাটকটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, সাবেরী আলম, শিল্পী সরকার অপু, নাদের চৌধুরী, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু ও এমএনইউ রাজু, দীপা খন্দকার, সোহেল খান ও ইসরাত। চ্যানেল আইতে প্রচারের পর সম্পর্কের গভীরতা ও মানবিক অনুভূতির এই গল্পটি দেখা যাচ্ছে সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে।