প্রকাশিত:
গতকাল

আজ বুধবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন রাফসান-জেফার।
দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তাদের সরব উপস্থিতি নজর কেড়েছে সবার। বিশেষ করে থাইল্যান্ডে কাটানো একান্ত মুহূর্তের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাদের প্রেম নিয়ে চর্চা তুঙ্গে ওঠে। নেটিজেনদের সেই দীর্ঘদিনের অনুমানই এখন বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
যদিও সে সময় বিষয়টি অস্বীকার করে দুজন দুজনকে ভালো বন্ধু বলে দাবি করেছিলেন তারা।
এরপর বেশ কয়েকবার তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ভাইরাল হলেও প্রেমের সম্পর্ক বরাবরই এড়িয়ে গেছেন। অবশেষে সেই ছবিই সত্যি হতে চলেছে।
সপ্তাহখানেক ধরেই পরিকল্পনা চলছে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার অদূরে আমিনবাজারের একটি রিসোর্টে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে তাদের। এরপর দুজন আনুষ্ঠানিকভাবে খবরটি সামনে আনবেন।
২০২৩ সালের শেষ দিকে চিকিৎসক সানিয়া এশার সঙ্গে তিন বছরের দাম্পত্যজীবনের ইতি টানার বিষয়ে সে সময় নিজের ফেসবুক পোস্টে রাফসান সাবাব জানান, সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না, তবে অনেক চিন্তাভাবনার পর দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়াকেই সবচেয়ে সম্মানজনক সমাধান মনে হয়েছে।
অন্যদিকে, রাফসানের সাবেক স্ত্রী সানিয়া সুলতানা এশা তখন জানান, তিনি বিচ্ছেদ চাননি। এই বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের পরপরই রাফসান ও জেফার রহমানের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়।
এরপর ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে ব্যাংককের সিয়াম প্যারাগন শপিং মলে বিখ্যাত পেরি পেরি ফুড শপের ভেতরে দুজনকে দেখা যায়।
সেসময় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর জেফার বলেছিলেন, ‘রাফসান শুধুই আমার বন্ধু ও সহকর্মী। প্রেমের সম্পর্কের যে কথা উঠছে, এটা তখনো ছিল না, এখনো নেই।’
অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে রাফসানের ভাষ্য ছিল, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিষয়ে প্রচুর কমেন্ট দেখতে পাচ্ছি, জেফারকে জড়িয়ে; আপনারাই বলছেন, এ রকম চেহারা নিয়েও চিট করা যায়! আবার আপনারাই বলছেন, জেফারের কারণে আমার ঘর ভেঙে গেছে। যেহেতু আমার চেহারা একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, মনে হচ্ছে, এই চেহারা নিয়ে জেফার কেন, হলিউডের কোনো নায়িকাকেও চেজ করে ফেলতে পারব।’
তবে সব গুঞ্জনের অবসান ঘটছে জেফার- রাফসানের শুভ পরিণয়ের খবরের মধ্যদিয়ে।