প্রকাশিত:
১১ জানুয়ারী, ২০২৬

সম্প্রতি এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, যেসব সংসদীয় আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী থাকবেন, সেখানে প্রার্থীর নেতৃত্বেই গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হবে। তবে যেসব আসনে এনসিপির প্রার্থী নেই, সেসব এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে আলাদা করে এই ২৭০ জন অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দেওয়া হবে। পুরো কার্যক্রমের সমন্বয় ও নেতৃত্বে থাকবেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নতুন করে সাজানো হয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি রাতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন ৩১ সদস্যের পুনর্গঠিত এই কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং সেক্রেটারি করা হয়েছে মনিরা শারমিনকে। চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারির পাশাপাশি কমিটিতে আরও ২৯ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দলীয় নেতাদের মতে, এই পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোটের বিষয়টি নিয়ে জনসচেতনতা বাড়বে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শক্ত জনমত তৈরি করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিতে যাচ্ছে এনসিপি। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩০টি আসনে সমঝোতার আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত আসন বণ্টন হয়নি। তবে ৪৪টি আসনে এনসিপির প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হলে দলীয় প্রার্থীরা সরে দাঁড়িয়ে জোট প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে কাজ করবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।