প্রকাশিত:
গতকাল

বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু এবং বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের উপস্থিতিতে ক্রিকেটারদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। এবারের আসরের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় নাঈম শেখ তাঁর চুক্তির পুরো ১ কোটি ১০ লাখ টাকা বুঝে পেয়েছেন। এ ছাড়া শরিফুল ইসলাম, সাদমান ইসলাম ও তানভীর আহমেদসহ দেশি ক্রিকেটারদের পাওনাও আজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সেই রোমাঞ্চকর শুরুর কথা স্মরণ করে ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘টুর্নামেন্টের আগের দিন মালিকপক্ষ চিঠি দিয়ে জানায় তারা টিম চালাতে পারবে না। আমরা দ্রুত দায়িত্ব নিয়ে হাবিবুল বাশারকে টিম ডিরেক্টর বানাই। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব গুছিয়ে টিম নামানো হয়েছিল। ম্যানেজমেন্ট ও খেলোয়াড়দের কৃতিত্বেই আজ এই দলটি রানার্সআপ।’
বিসিবি জানায়, টুর্নামেন্ট চলাকালীন ক্রিকেটারদের ৫০ শতাংশ পেমেন্ট দেওয়া হয়েছিল এবং আজ বাকিটা চুকিয়ে দিয়ে সব পাওনা শূন্য করা হয়েছে।
পারিশ্রমিক নিয়ে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল বিসিবির এই দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর পেমেন্ট নিয়ে আমরা অনেক নির্ভার ছিলাম। হাবিবুল বাশার সুমন স্যার ও শাহরিয়ার নাফিস ভাইদের দক্ষ ম্যানেজমেন্টের ফল আমরা মাঠেই পেয়েছি। সঠিক সময়ে টাকা হাতে পাওয়া বড় স্বস্তির।”
ক্রিকেটাররা টাকা পেলেও টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যদের পাওনা এখনো কিছুটা বকেয়া রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মিঠু জানান, “নোটশিট ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা দেরি হচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই ম্যানেজমেন্টের সবাই টাকা পেয়ে যাবেন।”
অন্যদিকে, বিদেশি খেলোয়াড়দের পাওনা পরিশোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতির প্রয়োজন হয়। মোহাম্মদ হ্যারিস ছাড়া বাকিদের অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। হ্যারিসের অনুমতি মিললেই তাঁর পাওনাও পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।
রোজার আগেই ক্রিকেটারদের আর্থিক পাওনা মিটিয়ে দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। চট্টগ্রামের এই ‘লড়াকু’ মডেল ভবিষ্যতে বিপিএলের অন্য দলগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।